কেশবপুরে করোনায় ক্রেতা কম পাঁজিয়ার জনপ্রিয় রসগোল্লার

68

কেশবপুরে ঐহিত্যের পাঁজিয়ার ‘রসগোল্লা’ বেশ জনপ্রিয় একটি নাম। ইতিহাস-ঐতিহ্যের রাজধানী নামের এই পাঁজিয়ার রসগোল্লা ঐতিহ্যে মণ্ডিত এলাকার খাবারও ছিল প্রসিদ্ধ। পাঁজিয়ার রসগোল্লার ছিল নামডাক। আজও পাঁজিয়ার রসগোল্লা তার স্বাদ বজায় রেখেছে।
তবে বেশি ভাল নেই পাঁজিয়ার রসগোল্লা কিংবা বিক্রি করা হোটেল,রেস্টুরেন্টগুলা। করোনা ভাইরাসের প্রকোপে দীর্ঘদিন লক-ডাউনের পর সিমিত ভাবে দোকানগুলা খোলা হলেও নেই সেই আগের মত ব্যবসা।আগের মত রসগোল্লা ও বিক্রি নেই,রসগোল্লা অল্প করে তৈরী করছি এখন।খাঁটি দুধের ছানার তৈরী স্বাভাবিক সময় ৪’শ থেকে ৫’শ মিষ্টি বিক্রি হলেও এখন ১৫০ টিও কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে পড়েছে বলে জানান পঞ্চানন দাস।ঐতিহ্যবাহী রসগোল্লা সম্পর্কে স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে দীপক মজুমদার বলেন, ‘ছোটবেলায় উপেন চন্দ্র দে (টুনে ময়রা) নামে একজন সুস্বাদু রসগোল্লা তৈরি করতেন। তাঁর মিষ্টির বিশেষত্ব হলো রসগোল্লার ভেতরটা রসে টইটম্বুর হয়ে যাবে। পাঁজিয়া বাজারের কালীমন্দিরের দক্ষিণ পাশে উপেন বাবুর দোকান ছিল। সেখানে রসগোল্লা খেতে দূর থেকে মানুষ আসত। তিনিই পাঁজিয়ার আদি ময়রা ছিলেন।’ এখনো পাঁজিয়ার রসগোল্লা পাঁজিয়া বাজারের অঞ্জন মিষ্টান্ন ভান্ডার ও লক্ষ্মী মিষ্টান্ন ভান্ডারে পাওয়া যায়। এত সুস্বাদু মিষ্টি হওয়ার গোপন রহস্য কী, জানতে চাইলে মিষ্টি তৈরির কারিগর অসীম কুমার দাস বলেন, ‘খাঁটি গরুর দুধ দিয়ে ছানা তৈরি করা হয়। গুঁড়া দুধ ব্যবহার করা হয় না। সে কারণেই রসগোল্লা সুস্বাদু হয়।