আজিজুর রহমান, কেশবপুর প্রতিনিধি : কেশবপুর উপজেলার কন্দর্পপুর গ্রামের একটি মৎস্য ঘের এলাকাবাসীর গলার কাটা হিসেবে মৎস্যঘেরের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।প্রায় দেড়শ‘ বিঘা জমি বিশিষ্ট কন্দর্পপুর গ্রামের পশ্চিম হাজরা তলার কুড়, ও অর্ধশত বিঘা জমি বিশিষ্ট কন্দর্পপুর বানিয়ার পূর্ব কুড় বিল। দুটি বিলের জমির ঘের মালিক ওই গ্রামেরই বাসিন্দা খালিদ হোসেন।পানি আটকিয়ে রাখার কারনে গ্রামের উচুুঁ জমি ঘেরের জমির সাথে মিশে গেছে।প্রায় প্রতিটা কবর স্থান পানিতে টুই টম্বুর । ওই গ্রামে কেউ মারা গেলে তাকে অন্য গ্রামে নিয়ে দাফন করতে হচ্ছে।গত ০৮-০৮-২০তাং-কন্দর্পপুর গ্রামের আব্দুস সোবহানের স্ত্রী মারা গেলে তাকে ৫ কিলো মিটার দূরে মির্জাপুর গ্রামে তার পিত্রালয়ের কবর স্থানে নিয়ে দাফন করতে হয়েছে।
দেখা দিয়েছে মৎস্য ঘেরের মধ্যে জমির মালিক শতকরা ৭৫ভাগ ব্যক্তি বর্তমানে আব্দুস সোবহান,আব্দুল মান্নান,আব্দুল কাদের ফকির,আমজেদ গাজী,রুহুল আমীন গাজী, আব্দুল হালিম, আব্দুল গণি, বাবর আলি গাজী,মোসলেম গাজী,আব্বাস উদ্দীন গাজী সহ অনেকের কবর স্থান এখন প্রায় সুকনো মৌসুমে পানির নিচে। বিলের পার্শ্বে বড়েঙ্গা খালের সাথে বিলের পানি নিস্কাষনের মাধ্যম খালের উৎস্য মুখে তিনটি মাটির বাধঁ দিয়ে পানি আটকিয়ে দেয়া হয়েছে।বর্তমানে ওই খালের পানি থেকে বিলের পানি দেড় থেকে দুফুট উচুঁতে থাকলেও ঘের মালিক ব্যাক্তিস্বার্থে বিলের বা বসত বাড়ির পানি নিাস্কাসন করতে দিচ্ছেনা । ঘেরের মধ্যে জমির মালিকরা জানান ঘেরের জমির মালিক দের ইচ্ছার বিরুদ্বে তাদের সম্মতি না নিয়ে জোর করে ঘের করেছে।প্রভাবশালী ঘের মালিক খালিদ হোসেনের শত অপরাধ এলাকাবাসীর মুখবুজে সহ্যকরা ছাড়া প্রতিবাদ করার সাহস নেই কারো।ওই গ্রামের আমির আলির ২০শতক জমির শিমগাছ মারা গেছে।একই গস্খাম কন্দর্পপুরের মজিবর রহমানের ১৬ শতক জমির কলাগাছ নিশ্চিন্ন হবার পথে বলে তারা জানান।এসবই হচ্ছে ত্রাস সৃষ্টিকারী ঘের মালিক খালিদ হোসেনের একগুয়েমির কারনে বলে ওই গ্রামের ছোট-বড় সকল বয়সী মানুষের অভিযোগ।এঘটনায় অসংখ্যবার ঘের মালিক খালিদ হোসেনের ০১৯২৩-৯৫১১৮৮ ও ০১৮২৩-৯৫১১৮৮ নম্বরে যোগাযোগ করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।


