কেশবপুরে এক কবিরাজের বিরুদ্ধে ঔষধ বিক্রয়ের অভিযোগ

আজিজুর রহমান / সোহানা ফেরদৌস সুইটি, কেশবপুর: কেশবপুরে এক কবিরাজ রুগীদের বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ সরবরাহ করে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, উপজেলার বারুইহাটি গ্রামের আলতাফ হোসেন মোল্যার স্ত্রী ফতেমা খাতুন ৭/৮ বছর ধরে নিজ বাড়িতে তদবীরের মাধ্যমে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করে আসছেন।

রবিবার দুপুরে সরেজমিনে ফতেমা খাতুনের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, তার বাড়িতে ৩/৪ জন রুগী বসে আছেন। তিনি রুগী দেখছেন এবং গ্যাসের ফাইল ও ক্যালসিয়ামের ঔষধ দিচ্ছেন।

তিনি ডাক্তারের মতো ঔষধ দিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন সাধারণ রুগীদের কাছ থেকে। এলাকাবাসী জানান, ফতেমা খাতুন ৭/৮ বছর ধরে কথিত জ্বীন চালনাসহ ঝাড়-ফুক ও তদবীরের মাধ্যমে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করে আসছেন।

কিন্তু বর্তমানে সে ঝাড়-ফুকসহ রুগীদের বিভিন্ন ঔষধ দিয়ে ১৬০ টাকা করে নেয়। এব্যাপারে সরাসরি ফতেমা খাতুনের কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, আমার ওপর ছোটোবেলা থেকে জ্বীনের আছড় আছে। যার কারণে আমি জ্বীন চালনা করে তদবিরের মাধ্যমে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করি।

মাঝে মধ্যে আমি হোমিওপ্যাথিকের দোকান থেকে গ্যাসের ফাইল ও ক্যালসিয়ামের ঔষধ ক্রয় করে রুগীদের প্রয়োজন বিক্রয় করে থাকি। এব্যাপারে পিটিএফ চেয়ারম্যান এ.কে. আজাদ-ইকতিয়ার বলেন, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া গ্যাসের ফাইল ও ক্যালসিয়ামের ঔষধ দেওয়া একটি অন্যায়।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শেখ আবু শাহিন বলেন, কাগজপত্র বিহীন গ্যাসের ফাইল ও ক্যালসিয়ামের ঔষধ সরবরাহ করার অধিকার সে রাখে না। তার বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

error: লাল সবুজের কথা !!