কেশবপুরে উপ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে মরিয়া আ’লীগের ৯  ও  বিএনপির ৩ প্রার্থীর

23

আজিজুর রহমান,কেশবপুর প্রতিনিধি: যশোর-৬ আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ উপ – নির্বাচনকে সামনে রেখে কেশবপুরে আওয়ামীলীগের ৯ জন প্রার্থী দলীয় মনোনয়ন পেতে মরিয়া হয়ে পুরোধমে মতবিনিময় সভা, পথ সভা ও গণসংযোগে নেমে পড়েছে।

এদিকে ধানের শীষ পেতে দৌড়ঝাপ রয়েছে বিএনপির ৩ প্রার্থী। এসব সাম্ভব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকায় মতবিনিময় সভা,পথ সভা ও গণসংযোগ করে চলছেন।ফেসবুক অনলাইন,পত্রিকার ও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগের মাধ্যমে এই সব মনোনয়ন প্রত্যাশীরা তাদের প্রার্থীতার আগাম জানান দিচ্ছেন।

আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা এলাকায় মতবিনিময় সভা,পথ সভা ও গণসংযোগে দেখা গেলেও বিএনপির ৩ মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তেমন দেখা যাচ্ছে না।যশোর ৬ আসনে মোট ভোটর রয়েছে ১লাখ ৯৬ হাজার ৫শত ৬৯ জন,এর মধ্যে পুরুষ ৯৭ হাজার ১শত ২৪ জন ও মহিলা ৯৬ হাজার ৪শত ৪৫ জন।

গত ২১ জানুয়ারি – ২০ যশোর – ০৬ কেশবপুর আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেকের মৃত্যুর পর গত ২৮ জানুয়ারি এই আসনটি শূন্য হয়। আনসটি শূন্য হওয়ায় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা পুরোদমে মাঠে গণসংযোগে নেমে পড়েছেন। তারা তাদের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে উপজেলার পৌরসভাসহ ১১ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার,চায়ের দোকান ও গ্রামে গ্রামে যেয়ে সাধারণ ভোটদের কাছে দোয়া প্রার্থনাসহ মতবিনিময়, পথ সভা ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

সাম্ভব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন, যশোর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিন চাকলাদার,উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস,এম রুহল আমীন, মরহুম ইসমাত আরা সাদেকের মেয়ে নওরীন সাদেক,উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এইচ, এম আমির হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড,হুসাইন মোহাম্মদ ইসলাম, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ আব্দুর রফিক, চিত্র নায়িকা শাবানার স্বামী এ,কে,এস, ওয়াহিদ সাদিক সাংবাদিক শ্যামল সরকার ও সদ্য অবসরকৃত সিভিল সার্জন ডাঃ শামসুজ্জামান।

বিএনপির প্রার্থীরা হলেন,উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হোসেন আজাদ,কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ র্ধম বিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু ও যশোর জেলা বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুস সামাদ বিশ্বাস।

এই শূন্য আসনে দলীয় মনোনয়ন পেতে দলীয় হাইকমান্ডে সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে প্রার্থীরা বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। জাতীয় সংসদ উপ – নির্বাচনকে সামনে রেখে এসব প্রার্থীরা দিনরাত প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মতবিনিময় সভা,পথ সভা ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে।দেশ স্বাধীনের পর কেশবপুর আসনে সর্বপ্রথম এম এ এল নির্বাচিত হন বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর প্রয়াত সুবোদ কুমার মিত্র,১৯৭১ সালে অবিভক্ত কেশবপুর,মণিরামপুর অঞ্চরে সংসদ নির্বাচিত হন আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য পযুষ কান্তি ভট্রাচার্য ১৯৭৯ সালে বিএনপির প্রার্থী প্রয়াত গাজী এরশাদ আলী, ১৯৮৬ জাতীয় পাটির এ্যাডভোকেট আব্দূল কাদের, ১৯৯১ সালে জামায়াত থেকে মাওলানা সাখাওয়াৎ হোসেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী এ এস এইচ কে সাদেক, ২০০১ সালের নির্বাচনে পুনরায় এ এস এইচকে সাদেক, ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামীলীগ নেতা শেখ আব্দূল ওহাব, ২০১৪ সালের নির্বাচনে ইসমাত আরা সাদেক, ও ২০১৯ সালের নির্বাচনে ইসমাত আরা সাদেক পুনরায় এমপি নির্বাচিত হন।