আজিজুর রহমান, কেশবপুর প্রতিনিধি:
কেশবপুর পৌর এলাকার বায়সা মৌজায় একটি জমির দখল নিয়ে দুটি পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিরোধী পক্ষের ওই জমিতে প্রবেশে আদালত নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিলেও একটি মহল তা অমান্য করে বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘর নির্মাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, পৌরসভার বায়সা এলাকার মৃত নওয়াব আলী গাজীর ছেলে মোহাম্মদ আলী গাজীগং বায়সা মৌজার হাল- ৯৫২ দাগের ২৯ শতক জমি পৈত্রিক সূত্রে দাবিদার। এর পাশের ৯৫১ দাগের জমি অহেদ আলী মোড়লের ছেলে আয়ুব হোসেন ও ইউনুছ মোড়লগংরা দাবিদার।
আয়ুব হোসেন ও ইউনুছ মোড়লগংরা এই জমির মধ্য থেকে ৭ শতক জমি বিক্রি করে আব্দুল করিমের কাছে। কিন্তু আব্দুল করিম ত্রæটিপূর্ণ কাগজপত্রের কারণে জমি বিক্রি করে দেয় মোহাম্মদ আলী সরদারের ছেলে টিপু সুলতানের কাছে।
এ সময় টিপু সুলতানের দখল বুঝে দেয়া হয় ৯৫২ দাগের ৭ শতক জমি। এরপর থেকে মোহাম্মদ আলী গাজীগংদের সাথে ওই জমির দখল নিয়ে টিপু সুলতানের বিরোধ দেখা দেয়। যে কারণে মোহাম্মদ আলী গাজীগং বাদি হয়ে গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ আদালতে ২০ জনকে বিবাদী করে একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-৭৫/১৯। এ মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আদালত বিরোধ নিরসন না হওয়া পর্যন্ত বিরোধী পক্ষের ওই জমিতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়। কিন্তু আদালতের এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলতি বছরের ২২ অক্টোবর থেকে টিপু সুলতানরা বিরোধী জমিতে প্রভাব খাটিয়ে ঘর নির্মাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। মোহাম্মদ আলী গাজীগং অভিযোগ করে বলেন, আয়ুব হোসেন ও ইউনুছ মোড়লগংরা ৯৫২ দাগের জমি দাবি করে বিরোধী পক্ষের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে ১৪৪ ধারায় একটি মামলা করে। যা পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদন আয়ুব হোসেন ও ইউনুছ মোড়লগংদের বিপক্ষে যাওয়ায় আদালতে এ মামলা খারিজ হয়ে যায়।
এ ব্যাপারে টিপু সুলতান বলেন, আমি ক্রয়সূত্রে ওই জমির মালিক। আয়ুব হোসেন ও ইউনুছ মোড়লগংরা যেখানে দখল বুঝে দিয়েছে, সেখানেই তিনি ঘর নির্মাণ করছেন। আদালতের নিষেধাজ্ঞার কোন কাগজপত্র তিনি পাননি বলে দাবি করেন।


