কেশবপুরে আগামী ২৯ মার্চ নৌকা বিজয়ের মাধ্যমে উন্নয়নের ধারাকে রক্ষা করতে হবে

16

আজিজুর রহমান, কেশবপুর প্রতিনিধি : যশোর-৬ কেশবপুর সংসদীয় আসনে উপ-নির্বাচন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার বলেছেন, কেশবপুরে কোন সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলবে না, কোন গুন্ডাবাজী চলবে না মাদকের ব্যবসা চলবে না। দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালিত হবে। চেন অব কমান্ড থাকতে হবে। কেশবপুর উপজেলা বাসী যাতে ভালো থাকতে পারে তার দেখভাল করবে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। উন্নয়ন দেবে আওয়ামী লীগ সরকার। আমরা সেই আওয়ামী লীগের সাথে থেকে উন্নয়নের কাজ করে যাব। তৃণমূল নেতা-কর্মী মূল্যায়ন করতে হবে।

এপ্রিল মাস থেকে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করা শুরু হবে। খোলা মাঠে তৃণমূলের মতামতের মাধ্যমে সভাপতি-সম্পাদক নির্বাচিত করতে হবে। নারীদের সম্মান রক্ষা করে তাদেরও প্রতিটি কমিটিতে অর্ন্তভূক্ত করতে হবে। সনাতন ধর্মের লোকদেরও প্রতিটি কমিটিতে অর্ন্তভূক্ত করতে হবে। যদি শস্তি আর শান্তি অব্যহত রাখতে হয় তবে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যের কোন বিকল্প নাই। নেত্রীর দেওয়া নৌকা আগামী ২৯ মার্চ ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী করতে হবে। আজ থেকে বাড়ি বাড়ি যেয়ে নৌকা মার্কায় ভোট চাইবেন। নৌকার সরকারই এক মাত্র দেশের উন্নয়ন করতে পারে

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এখন ধানেরশীষকে পছন্দ করছে না। ধানের শীষে কেউ প্রার্থী হতে চাচ্ছে না। কারণ বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের শিখরে পৌছে গেছে। হুইসেল দিয়েও তাদের প্রার্থী খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ দেশ আজ উন্নয়নের শিখরে অবস্থন করছে। তারা জানে ভোটে দাঁড়াইলে বাংলাদেশের মানুষ তাদের ভোট দেবে না। কারণ মানুষ তাদের আগুন সন্ত্রাসের কথা ভুলে যায়নি।

কেশবপুর একটি শান্তির জায়গা। কোন অপশক্তি কেশবপুরের শান্তি নষ্ট করতে পারবে না। কেশবপুরে উন্নয়ন কি করে করতে হয়, তা আমি জানি। অতিতে যে সকল কাজ হয়নি আগামীতে সেই সকল কাজ কেশবপুরে হবে। যারা খোলা ঘরে বসবাস করে তাদের বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। আমরা চাই বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, পঙ্গু ভাতা, মাতৃত্ব ভাতা সঠিকভাবে সকলের দোরগোড়ায় পৌছাতে হবে।

কেশবপুরে বিগত দিনে কে কাকে মেরেছে, আজ থেকে সবকিছু ভুলে যেতে হবে। আমরা কেশবপুরে কোন মারামারি হানাহানি দেখতে চাই না। যদি কেই করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচন উত্তর কিভাবে আপনাদের মূল্যায়ন করতে হয় আমি তার প্রমাণ করে দেব। কেশবপুরে আমরা ঐক্যবদ্ধ থেকে সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যাবো, উন্নয়ন করবো এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করবো। উন্নয়নের কান্ডারী হলেন শেখ হাসিনা। আগামী ২৯ মাচ নৌকা বিজয়ের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কেশবপুর শহরের আবু শরাফ সাদেক অডিটোরিয়াম কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ,ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ,পৌর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনের সমন্বয়ে আয়োজিত বিশাল বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফার পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কাজী রফিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়ার সহ সভপতি তপন কুমার ঘোষ,উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এ্যাড. রফিকুল ইসলাম পিটু, পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম, যশোর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথ, কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইউপি সদস্য গৌতম রায়, দপ্তর সম্পাদক মফিজুর রহমান মফিজ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও ছাত্রলীগের যুগ্ন আহবায়ক পলাশ কুমার মল্রিক,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা সাদেক,জেলা পরিষদের সদস্য হাসান সাদেক,উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী রাবেয়া ইকবাল, কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর শেখ এবাদাত সিদ্দিক বিপুল, সাংগঠনিক সম্পাদক সাগরদাঁড়ী ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত, সুফলাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ মাষ্টার, মঙ্গলকোট ইউপি চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন, পাঁজিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মুকুল, বিদ্যানন্দকাটি ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন, ত্রিমোহিনী ইউপি চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান আনিস, সাতবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন দফাদার, গৌরীঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান এস এম হাবিবুর রহমান হাবিব, মজিদপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম সরেয়ার, গৌরীঘোনা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাজারুল ইসলাম, সদর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি দিপক মুজ্ঞী, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ও পৌর প্যালেন মেয়র বি এম শহিদুজ্জামান শহিদ, সাগরদাঁড়ী সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা ছাত্রলীগের আহŸায়ক কাজী আজাহারুল ইসলাম মানিক,যুগ্ন আহবায়ক হাবিবুর রহমান মুকুল,প্রমুখ।

বর্ধিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল মজিদ, সহ-সভাপতি এ.কে.এম খয়রাত হোসেন, সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক, সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা, যুগ্ম-সম্পাদক বেনাপোল পৌর সভার মেয়র আশরাফুল ইসলাম লিটন, যুগ্ম-সম্পাদক যশোর পৌর সভার মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম আফজাল হোসেন, ঝিকরগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনি, যশোর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান শাহারুল ইসলাম, যশোর শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস.এম. মাহামুদ হাসান বিপু, মণিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ফারুক হোসেন, অভয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার ওলিয়ার রহমান, যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রওশন ইকবাল শাহী, মণিরামপুর উপজেলার শ্যামকুড় ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনি, দূর্বাডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান মাযহারুল আনোয়ার, পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহŸায়ক এ্যাড. মিলন মিত্র, যুগ্ম-আহŸায়ক পৌর কাউন্সিলর জামাল উদ্দীন সরদার, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি সৈয়র নাহিদ হাসান, সাধারণ সম্পাদক রমেশ চন্দ্র দত্ত, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদিকা মমতাজ খাতুন, উপজেলা যুব মহিলা লীগের সভানেত্রী ইতি রাণী দে, সাংগঠনিক সম্পাদিকা ইউপি রেহেনা ফিরোজ, ও খাদিজা খাতুনসহকেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ,ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ,পৌর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনের সমন্বয়ের নেতৃবৃন্দরা।