ঈদ পূর্ব-মূহুর্ত মানেই দর্জি-কারিগরদের ব্যস্ততা

86
lal sobujer kotha
lal sobujer kotha

মোঃ মামুন হোসেনঃ ঈদ মানেই খুশি, ঈদ মানে আনন্দ, তাই ঈদের আনন্দে নতুন জামা-কাপড় থাকবে না তাইকি হয়। পবিত্র ঈদ উল ফিতরকে সামনে রেখে তাই নতুন জামা কাপড় তৈরি করতে ব্যস্ত সময় পার করছে দর্জি কারিগররা । তাদের হাতে যেন মোটেও সময় নেই, কেননা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তৈরি পোশাক সরবরাহ করতে হবে। পছন্দের পোশাক বানাতে দর্জির দোকানগুলোতে ভীড় করছেন সৌখিন ক্রেতারা।

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে পোড়ার বাজারসহ আশ-পাশের বাজারের দর্জি কারিগররা ও। সকাল থেকে শুরু করে রাত দিন ২৪ ঘন্টা চলছে সেলাইয়ের কাজ। তাদের যেন দম ফেলার সময় নেই। দর্জিরা এখন কেউ মাপ নিচ্ছে, কেউ কাপড় কাটছে, কেউ আবার সেলাই করছে, কেউবা বোতাম লাগিয়ে লন্ড্রী করে তৈরি জামা সাজিয়ে রাখছে।

এখন আর অর্ডার না নিলেও অর্ডার নেওয়া কাজ ঈদের আগে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আর এই সব কাজ সময় মত দেওয়ার জন্য অনেকে টেইর্লাস অতিরিক্ত লোক নিয়োগ করেছে। দোকান গুলোতে নারী পুরুষ উভয় কাপড় তৈরি করতে আসছে । কারন একটাই কেনা পোশাক থেকে বানানো পোশাক ভালো হয়। তাই দর্জির দোকান আসা। দর্জির দোকানে আসা লাভলী নামের একজন জানান, ঈদকে সামনে রেখে থ্রি পিস সেলাই করতে দর্জির দোকানে আসা কারন একটাই,দর্জির দোকান থেকে কাপড় সেলাই করলে সেই জামা পরতে ফিটিংয় হয়। ঈদের সময় সবাই চাই নতুন পোশাক পরতে, গার্মেন্টস দোকানে একই নকশার অনেক পোশাক থাকে। তাই নিজের পছন্দ মতো কাপড় কিনে তৈরি করাতে দেই।

ঈদকে সামনে রেখে জামা কাপড় কিনতে আসা ইয়াছিন আলি নামের এক ব্যক্তি জানান, প্রতি বছর ঈদে আমি কাপড় কিনে জামা তৈরি করাই। কিন্তুু এবছর জেনো জামা কাপড়ের দামও বেশি। আবার দর্জিরাও গত বছর থেকে মজুরি কিছু টাকা বেশি চাচ্ছে । যদি দাম টা একটু কম থাকে তাহলে মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য‌ ভালো হত।

তবে দর্জিরা বলছে ঈদকে সামনে রেখে গত বছর থেকে এ বছর প্রচুর অর্ডার আসছে। অর্ডার প্রতি তারা ১৫০-৩৫০ টাকা করে মুজুরি নিচ্ছে। এই অর্ডার সময় মতো দিতে অতিরিক্ত শ্রমিক নিয়োগ করে বিরতিহীন ভাবে রাতভর পর্যন্ত কাজ করে ক্রেতাদের চাহিদা মোতাবেক পোশাক তৈরির কাজ চালানো হচ্ছে।

দর্জি খায়রুল, আসাদুল, কবিরুল জানান, দর্জির দোকানে পুরুষে চেয়ে মহিলারাই বেশি আসছে। তাই আমরা শেষ সময় এসে কাউকেই ফিরিয়ে দিচ্ছিনা কারন সামনে ঈদ। ঈদ উপলক্ষে আমাদের অর্ডার বেশ ভালই, তবে আমরা এই সময়ে আর অর্ডার নিচ্ছি না। আগে যেই অর্ডার নিছি সেগুলই শেষ করার কাজ চলছে।
দর্জিরা জানান, সময় মতো কাজ শেষ করে কাস্টমারকে দিতে পারলেই আমরা খুশি।