ঈদের কেনাকাটায় কেউ ছুটছে বড় মার্কেটে, কেউবা ফুটপথে

40
বিশেষ প্রতিবেদক
কয়েকদিন পরেই সারা দেশে হতে যাচ্ছে ঈদের আনন্দকে ঘিরে নানান প্রস্তুতিতে এক আনন্দঘন দিন। চলছে বিভিন্ন জিনিসপত্র কেনাকাটার ব্যস্ততা মানুষের মাঝে।
ঠিক তেমনি সাতক্ষীরা কলারোয়ার দেয়াড়ায় পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে শপিং কমপ্লেক্সগুলো ঈদ আনন্দের কেনাকাটায় ধুম পড়েছে টাকা ওয়ালা ক্রেতা সাধারণের ভিড়ে।কেনাকাটা করতে কেউ ছুটছে বড় মার্কেটে কেউবা ছুটছে ফুটপাথে।
অনেকেই ছুটছে শহরাঞ্চলের সপিং কমপ্লেক্সে ।
বাচ্চাদেরসহ বড়দের ঈদের পোশাক ফুটপাথ থেকে কিনছে গরীব মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষেরা ।
আর মাত্র কয়েকদিন বাকী ঈদের দিনের।সপ্তাহে দু’দিন বৃহস্পতিবার ও রবিবার উপজেলার খোরদো হাট।
ফুটপাথেও বসেছে ঈদের বিভিন্ন পন্যের দোকান।
১৯শে আগষ্ট রবিবার হাটকে কেন্দ্র করে সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায় ভিড় জমে উঠেছে উপজেলার খোরদো বাজারসহ পার্শ্ববর্তী বাজারের বস্ত্রবিতান,কসমেটিক্স,জুতা স্যান্ডেলের দোকানগুলোসহ ফুটপাথেও ।
দোকানীরাও বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন বেচাবিক্রিতে।
উপজেলার খোরদো বাজারস্থ সাহেব বস্ত্রবিতানের মালিক জাহিদ হাসানসহ অনেকেই বলেন,ঈদের সকল ধরণের পোশাক ঢাকা,কুষ্টিয়া,বাবুরহাট, পুড়াদাহসহ বিভিন্ন বড় মোকাম থেকে ক্রয় করে সাজিয়ে রেখেছিলাম।
মাঝ সময়ে বাজার কেন্দ্রিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জনশুন্যের কারণে তেমন কোন বেচাবিক্রি হয়নি বলে অলস্য সময় পার করেছি।মনটাও খারাপ ছিল।আমদানিকৃত পোশাকের সকল বয়সের পোশাক এবারের ঈদে মন কেড়েছে ক্রেতাদের।সাধ্যের মধ্যে আছে।
সামনে তিন চার দিন সময় আছে ঈদের।এজন্যই ক্রেতা সাধারণের আনাগোনা দেখা দিয়েছে এবং বেচাবিক্রিও মোটামুটি ভালো হচ্ছে বলে জানান দোকানীরা ।
এদিকে উপজেলার খোরদো বাজার কয়েকজন কসমেটিক্স ও জুতো স্যান্ডেলের দোকানীরাও বেচাবিক্রি ভালো হচ্ছে বলে আনন্দিত।
খোরদো বাজারস্থ তানিশা সু স্টোরের মালিক ইমরান হোসেন বলেন,সকল বয়সী মানুষের পছন্দের চামড়া বার্মিচ,প্লাস্টিক চায়না জুতো স্যান্ডেলসহ ঈদের সকল জুতো ঢাকা থেকে ক্রয় করে দোকানে সাজিয়েছি।সুলভ মূল্যে বিক্রি করাতে বেচাবিক্রিও বেশ ভাল হচ্ছে।
সকল বয়সী ক্রেতারা ঈদের কেনাকাটায় ঈদ আনন্দে ভরে তুলেছে বাজারের সপিং কমপ্লেক্সগুলো।
সম্প্রতি কিছু দিন দেওয়া দোকান হিসেবে লাভের মুখ দেখতে পাবো বলে আশা করছি এমনটাই জানান ইমরান হোসেন ।
বেচাবিক্রিতে বেশ ভালই লাগছে বলে জানান উপজেলার খোরদো বাজারের অনেক বস্ত্রবিতান,কসমেটিক্স এবং জুতো স্যান্ডেল দোকানীরা।ফুটপাথে বসা দোকানীরাও বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন ঈদের বেচাবিক্রিতে।
এদিকে,ভ্রাম্যমান কয়েকজন ভ্যান চালক ও স্থানীয় দিনমজুর কৃষকেরা আক্ষেপ করে বলেন,গরীবের আর ঈদের কেনাকাটায় ধুম।
ছেলে মেয়েদের খুশি করতে পারলেই হল।ঈদের কেনাকাটায় গরমও নয় নরমও নয় বলে মনে করেন তারা ।
সাভাবিক ভাবে সাধ্যের মধ্যে করতে হবে আমাদের মত গরীব মধ্যবিত্ত পরিবারের ।
তাই ফুটপাথ আমাদের ঈদ আনন্দের পোশাক কেনাকাটার শেষ স্থান।
টাকা ওয়ালাদের বড় বড় মার্কেট বলে মনে করেন অনেক দিনমজুর মানুষ ।ছুটছে বড় সপিং কমপ্লেক্সে টাকা ওয়ালারা এমনই অভিমত ব্যক্ত করেন ফুটপাথের ক্রেতা সাধারণ।