ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ভিজিডির চাল আত্মসাতের অভিযোগ

65

মোহাম্মদ মুনতাসীর মামুন, পটুয়াখালী ।। পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যানের ইঞ্জিঃ বাদশা ফয়সাল আহম্মদের বিরুদ্ধে ওই ইউনিয়নের ইউপি সদস্যরা ছয়শত পনের জনের তিন মাসের ভিজিডি’র চাল আত্মসাতের লিখিত অভিযোগ করেন। আজ বোরবার ওই ইউনিয়নের ইউপি সদস্যদের পক্ষে মোঃ বাহাউদ্দিন মিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে এ লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।

অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ বাদশা ফয়সাল ছয়শত পনের ভিজিডি সুবিধাভোগিদের মাঝে শুক্রবার চলতি বছরের মে মাসের চাল বিতরনের জন্য ওই ইউনিয়নের ইউপি সদস্যসহ সুবিধাভোগিদেরকে ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত করেন। ওই ইউপি চেয়ারম্যানের নিজের কাছে রাখা ছয়শ পনেরটি ভিজিডি কার্ড ও স্ব-স্ব ওয়ার্ডের মাষ্টাররোল ইউপি সদস্যদের কাছে দেন। ওই ইউপি সদস্যরা সুবিধাভোগিদের কার্ডে চলতি বছরের ফেব্রæয়ারী, মার্চ ও এপ্রিল এ তিন মাসের ভিজিডি চাল বিতরন করা হয়নি। অথচ ওই তিনমাসের টিপসই দেখতে পেয়ে ওই ইউনিয়নের ইউপি সদস্যদের পক্ষে ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য মোঃ বাহাউদ্দিন মুন্সি ও ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য মোঃ মাজহারুল ইসলাম ওই ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে বিগত তিন মাসের চাল বিতরন না করে সুবিধাভোগিদের কার্ডে ও মাষ্টাররোলে টিপসইয়ের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি ইউপি সদস্যদের সাথে খারাপ আচারন করেন এবং তাদের কাছ থেকে সুবিধাভোগিদের কার্ড ও মাষ্টাররোল ছিনিয়ে নেয়। এতে ইউপি সদস্যদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে ওই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মোঃ বাহাউদ্দিন মিয়া, মোঃ মাজহারুল ইসলাম, তোফাজ্জেল হাওলাদার, মোঃ আফজাল হোসেন, ইউপি সদস্যা মোসাঃ নুরনাহার বেগম ও শিরিনা বেগম স্বাক্ষরিত জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।

এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ বাদশ ফয়সাল আহম্মেদ জানান, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমার কাছে প্রমান আছে।

এ ব্যাপারে ওই ইউনিয়নের ট্যাগ অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম শাহীনের মুঠোফোনে ফোন করেনও তাকে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে মহিলা অধিদপ্তর কর্মকর্তা মোসাঃ জেসমিন আক্তার জানান, সুবিধাভোগীদের কার্ড অবশ্যই সুবিধাভোগিদের কাছে থাকবে। এ কার্ড জনপ্রতিনিধিরা কোনভাবেই রাখতে পারবেন না। অভিযোগের কথা শুনেছি, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানিয়া ফেরদৌস জানান, আমি ওই চেয়ারম্যানকে ফেব্রয়ারী, মার্চ ও এপ্রিল মাসের ভিজিডি চাল বিতরন করার জন্য ডিউ দিয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।