ডেস্ক নিউজ : আশাশুনি সদর ইউনিয়নের খাসেরাবাদ গ্ৰামের পঞ্চারাম মন্ডল সহ ৫/৬ টি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভিটাবাড়ি এবং মৎস্য ঘেরের পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক অন্যায় ভাবে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে শীতলপুর গ্রামের জনৈক আকরাম হোসেনের বিরুদ্ধে।
গত ২৫ এপ্রিল ঘটনাটির সত্যতা যাচাই করার জন্য সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা: আ.ফ.ম রুহুল হকের নির্দেশে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও আশাশুনি উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাবু নীলকন্ঠ সোমের নেতৃত্বে আশাশুনি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ প্রতিনিধি বাবু শম্ভুজিত মন্ডল, উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি ও আশাশুনি সরকারি কলেজের প্রাক্তন প্রভাষক সুবোধ কুমার চক্রবর্তী, আশাশুনি উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাবু রনজিত কুমার বৈদ্য, আশাশুনি উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ও আশাশুনি সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ঢালী মো. সামছুল আলম , আশাশুনি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ-এর সভাপতি মো. মুরশীদ আলম, সাধারণ সম্পাদক রাজ কুমার উজ্জ্বল, পূজা উদযাপন পরিষদের নেতা ও আশাশুনি মহিলা কলেজের প্রভাষক দীপঙ্কর কুমার বাছাড় দীপ, বলাবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলাল চন্দ্র সানা, আওয়ামীলীগ নেতা আকবর আলী খোকন, সাজ্জাদ হোসেন সহ স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এবং স্থানীয় ব্যক্তিদের মুখ থেকে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হয়।
সেজন্য ঘটনাস্থলে অধ্যাপক ডা: আ.ফ.ম রুহুল হককে বিষয়টি অবহিত করেন এবং আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. গোলাম কবিরকে বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য অনুরোধ করেন।
আওয়ামীলীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকার পরও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর এই ধরনের পাশবিক নির্যাতন -অত্যাচার থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে আইন এবং দলীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন অধ্যাপক ডা: আ.ফ.ম রুহুল হক এমপির প্রতিনিধিদল।


